196419

ঘাড়, পিঠ আর কোমরের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে করনীয়

আওয়ার ইসলাম: অনেকেরই অফিসে দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করা হয়। এভাবে দৈনন্দিন বাড়তে থাকা কাজের চাপের কারণে বাড়ছে ঘাড়, কোমড় ও পিঠের ব্যথা। এসব ঘাড়, কোমড় ও পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে জীবনযাত্রা এবং হাঁটা-চলা ও বসার অভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি। আসুন জেনে নিই এমন ঘাড়, কোমড় আর পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তির উপায়-

১. যদি অফিসে দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করতে হয়, সেক্ষেত্রে মাঝে মধ্যে ২-৩ মিনিটের জন্য ‘ব্রেক’ নিয়ে একটু হাঁটুন। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ২ ঘণ্টা একটানা বসে থাকলে শরীরের ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা এক ধাক্কায় প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। সেই সঙ্গে শরীরের ফ্যাট ঝরানোর উৎসেচকের ক্ষরণ প্রায় ৯০ শতাংশ কমে যায়। ৪ ঘণ্টা একটানা বসে থাকলে রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা কমে যায়। তাই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলে শুধু ঘাড়ে, কোমরে বা পিঠে ব্যথাই বাড়বে না, বাড়বে ডায়াবেটিস বা হার্টের সমস্যাও।

২. ভুল ভঙ্গিমায় বসা বা দাঁড়ানোর ফলে ঘাড়ে বা পিঠে ব্যথা হয়। তাই বসা, দাঁড়ানোর বা শোওয়ার সময় তার ভঙ্গি সতর্কভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

৩. বেড়াতে যাওয়ার সময় বা কাজে বের হওয়ার আগে অনেকেই পিঠে ভারী ব্যাকপ্যাক নেয়। বেশি ওজনের ব্যাগ দীর্ঘক্ষণ ধরে বইতে হলে দু’ কাঁধে সমান ভার না পড়লে কাঁধে বা পিঠে ব্যথা হয়। তাই ব্যাগ এমনভাবেই নিতে হবে যাতে দু’কাঁধে সমান চাপ পড়ে।

৪. ফ্রোজেন শোল্ডার বা স্টিফ জয়েন্টের সমস্যায় সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেস পরলে সাময়িক আরাম পাওয়া যায় ঠিকই, তবে এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদী হলেই বিপদ! কারণ, চিকিৎসকদের মতে, তেমন কোনও চোট, আঘাত না থাকলে সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেস-এর ওপর নির্ভর না করাই ভাল। এর থেকে ফিজিওথেরাপিস্টদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়ম মেনে কসরত করাই ভাল।

৫. শোওয়ার সময় বালিশের উচ্চতা সঠিক না হলে বা বালিশ খুব শক্ত বা খুব নরম হলে ঘাড়ে, পিঠে ব্যথা হতে পারে। বালিশের উচ্চতা এমন হওয়া উচিত, যাতে কাঁধ আর ঘাড় না বেঁকিয়ে পিঠ মোটামুটি সোজা বা সমান্তরাল রেখে শোওয়া যায়।

-এএ

Please follow and like us:
error1
Tweet 20
fb-share-icon20

ad