188000

মহামারী কেন্দ্র করে আজান দেওয়া যাবে কি?

আওয়ার ইসলাম:  মহামারীর প্রাদুর্ভাবের প্রাক্কালে আজান দেওয়া ইসলামি শরিয়তমতে সুন্নাত বা মুসতাহাব নয়। বরং অনেক আলেমের মতে, এটি জায়েয নয়। ফকিহুন নফস মাওলানা রশিদ আহমদ গাঙ্গুহি রহ. লিখেছেন,

طاعون، وبا وغيره امراض كے شيوع كے وقت كوئى خاص نماز احاديث سے ثابت نهىں. نه اس وقت اذانيں كهنا كسى احاديث مىں وارد هوا هے. اس لئے اذان كو يا جماعت كو ان موقعوں ميں ثواب يا مسنون يا مستحب سمجھنا خلاف واقع هے
(فتاوى رشيديه، كتاب العلم)

“মহামারী, প্লেগ ইত্যকার রোগের প্রাদুর্ভাবের সময় কোনো বিশেষ নামায হাদিসে প্রমাণিত নেই। এ সময় আযান বলার কথাও কোনো হাদিসে বর্ণিত নেই। কাজেই এ ধরনের পরিস্থিতিতে আযান বা জামাতকে সাওয়াবের কাজ বা সুন্নত বা মুসতাহাব বিশ্বাস করা বাস্তবতার পরিপন্থী।” ফতোয়ায়ে রশিদিয়া, কিতাবুল ইলম)

হজরত আশরাফ আলি থানভি রহ. থেকেও অনুরূপ ফতোয়া রয়েছে। দেখুন, আগলাতুল আওয়াম, পৃষ্ঠা : ৩৪

ফতোয়া দিয়েছেন, মাওলানা মুবিনুর রহমান, ফাযিলে দারুল উলূম করাচি, পাকিস্তান। 

অনুবাদ : আবদুল্লাহ আল ফারুক

আরএম

ad