150802

ভাত খেয়েই নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডায়াবেটিস!

আওয়ার ইসলাম: ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচার রিসার্চের বিজ্ঞানীরা এমন কিছু ধানের নতুন ভ্যারাইটি আবিষ্কার করেছেন যাদের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স শুধু কমই নয় বরং সেগুলি খাওয়া ডায়াবেটিসের রোগিদের উপকারী।

ডায়াবেটিসের রোগিদের বেশি ভাত খাওয়ায় নিষেধাজ্ঞারয়েছে । তবে এখন থেকে নিশ্চিন্তে ভাত খেতে পারবেন। তবে সেটা পরিমিত ভাবে। এই নতুন প্রকারের ধানগুলি হল ললাট ৫৩.১৭ (GI – 53.17), বিপিটি ৫২০৪ (GI – 51.42), সম্পদ ৫১ (GI – 51), সাম্বা মাশুরি ৫৩(GI -53)।

এই নতুন ধরনের ধান তৈরির জন্য ১৩ টি রাজ্যের কৃষকদের মধ্যে বিতরন করা হবে আগামী খরিফ মরশুমে। এই নতুন ভ্যারাইটিগুলির ভাতের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ার দরুন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। এই নতুন ভ্যারাইটিগুলির কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সএর মান্যতা দিয়েছে ন্যাশনাল ইনসটিটিউট অফ নিউট্রিশন।

ওয়ার্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের (WHO) এর মতে ভারতে বর্তমানে প্রায় ৬ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এই সংখ্যা ২০২৫ সালে ৭ কোটিতে পৌঁছাতে পারে, যা পৃথিবীর অন্য দেশগুলির মধ্যে সর্বোচ্চ। প্রসঙ্গত বেশীরভাগ ভারতীয় দানাশস্যের মধ্যে ভাতকেই বেশী পছন্দ করেন। অথচ ভাতের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ৭০ থেকে ৮০ এর মধ্যে থাকে, যা অন্যান্য দানাশস্যগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশী।

উচ্চ গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) যুক্ত খাবার খাওয়া ডায়াবেটিসের রোগিদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই বিজ্ঞানীরা চালের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) ৫০ এর মধ্যে আনার চেষ্টা করেছেন এবং সেই সমস্ত ভ্যারাইটিগুলি অবশ্যই উচ্চফলনশীল।

ডায়াবেটিস হরমোন সংশ্লিষ্ট রোগ। দেহযন্ত্র অগ্ন্যাশয় যদি যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা শরীর যদি উৎপন্ন ইনসুলিন ব্যবহারে ব্যর্থ হয়, তাহলে যে রোগ হয় তা হলো ‘ডায়াবেটিস’ বা ‘বহুমূত্র রোগ’। তখন রক্তে চিনি বা শকর্রার উপস্থিতিজনিত অসামঞ্জস্য দেখা দেয়।

ইনসুলিনের ঘাটতিই হল এ রোগের মূল কথা। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন ইনসুলিন, যার সহায়তায় দেহের কোষগুলো রক্ত থেকে গ্লুকোজকে নিতে সমর্থ হয় এবং একে শক্তির জন্য ব্যবহার করতে পারে। ইনসুলিন উৎপাদন বা ইনসুলিনের কাজ করার ক্ষমতা-এর যেকোনো একটি বা দুটোই যদি না হয়, তাহলে রক্তে বাড়তে থাকে গ্লুকোজ। আর একে নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে ঘটে নানা রকম জটিলতা, দেহের টিস্যু ও যন্ত্র বিকল হতে থাকে।

সূত্র: কলকাতা২৪

ad

পাঠকের মতামত

৪ responses to “মধ্যপ্রাচ্য ‘সঙ্কটে’ ঐক্যের ডাক দিল আমিরাত”

  1. whoah this blog is excellent i really like studying your articles.
    Keep up the good work! You recognize, a lot of individuals are hunting round for this information, you could help them greatly.

  2. My brother recommended I might like this web site.
    He was totally right. This publish truly made my day. You can not believe simply how
    much time I had spent for this info! Thank you!

  3. I am not sure where you are getting your information, but
    great topic. I needs to spend some time learning
    much more or understanding more. Thanks for excellent information I was looking
    for this info for my mission.

  4. ১৭ বছরের আগে জানতাম বিস্ময়কর বিশ্ব মানচিত্র তৈরী করেছেন , বারিধারা মাদ্রাসার একজন ছাত্র, এখন দেখছি অন্য মাদ্রাসার ছাত্র, এর মূল আবিস্কারক কে খুজে বাহির করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *