126198

একুশে বইমেলায় স্টল মিলবে যেভাবে

কৌশিক পানাহী: এখনও প্রায় দুই মাস বাকি অমর একুশে বইমেলার। কিন্তু এখনই নড়েচড়ে বসেছেন প্রকাশকেরা। প্রেস পাড়াগুলোতেও শুরু হয়ে গেছে খটখট আওয়াজ। বই ছাপানোর ব্যস্ততা বাড়ছে ধীরে ধীরে।

ছাপাখানা ও বাঁধাইখানাগুলোয় এ ব্যস্ততা প্রতিবছরই ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়। এসময় স্টল বরাদ্দ পাওয়ার প্রস্তুতিও নিতে শুরু করেন প্রকাশকেরা।

তবে আগেভাগে প্রস্তুতি নেন না বলে প্রতিবছরই বইমেলায় স্টল পেতে ঝামেলায় পড়েন নতুন প্রকাশকেরা। পর্যাপ্ত ও ভালো মানের বই থাকা সত্ত্বেও তারা স্টল পান না।

অনেকে আবার স্টল পাওয়ার প্রক্রিয়াটাই জানেন না। তারা জানেনই না, স্টল বরাদ্দ পাওয়ার কিছু নীতিমালা আছে এবং তা না জেনে দৌড়ঝাঁপ করলে স্টল পাওয়া যায় না।

বিগত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও বইমেলার একাংশ হবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। মূলত এখানেই নতুন-পুরাতন প্রকাশনা সংস্থাগুলো তাদের ছাপানো বই তুলে ধরে পাঠকদের জন্য। আর এখানে স্টল পেতে হলে ডিসেম্বরে শুরুতেই যোগাযোগ করতে হবে বাংলা একাডেমিতে।

কর্তৃপক্ষ স্টল বরাদ্দের নিবন্ধন ফরম দেবে। তবে নিবন্ধন ফরম পূরণ করে জমা দিলেই স্টল পাওয়া যাবে না।

প্রকাশনার অবস্থা, কী কী বই আনা হচ্ছে নতুন, লেখক কারা, লেখার মান কেমন, আগে স্টল পেয়েছে কিনা– এসব বিষয় যাচাইবাছাই করে তবেই নতুন প্রকাশকদের স্টল বরাদ্দ দেয় বাংলা একাডেমি।

বইমেলায় অংশগ্রহণের নিয়মকানুনের পুস্তিকা বলছে, ‘যেসব পুস্তক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান সর্বমোট একশ’টি অথবা এক বছরে কমপক্ষে পঁচিশটি মানসম্মত এবং নতুন প্রকাশকদের ক্ষেত্রে গত পাঁচ বছরে পঞ্চাশটি তন্মধ্যে বিশটি মানসম্মত সৃজনশীল সাহিত্য, বিজ্ঞান ও গবেষণাধর্মী বই প্রকাশ করেছে তাদের স্টল বরাদ্দ দেওয়া হবে।’

এ ছাড়া, আরও কিছু ব্যাপারে সতর্ক থাকলে স্টল পেয়ে যেতেও পারেন তরুণ প্রকাশকেরা।

বইমেলায় অংশগ্রহণের নীতিমালা বলছে, অমর একুশে গ্রন্থমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশকগণ কেবল বাংলাদেশে মুদ্রিত ও প্রকাশিত বাংলাদেশি লেখকদের অনূদিত লেখা প্রকাশ করতে পারবে। এ অনুবাদে মূল লেখকের অথবা প্রকাশকের অনুমতিপত্র থাকতে হবে।

পাশাপাশি মানতে হবে কপিরাইট আইন। কপিরাইট আইন অনুযায়ী কোনো বই প্রকাশের ন‌্যূনতম পাঁচ বছরের মধ্যে সেটার অনুবাদ করা আইনের পরিপন্থি।

লেখাটি প্রকাশের পরে অন্তত পাঁচ বছর পার হলে, নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে, কপিরাইট অফিসের মাধ্যমে উক্ত লেখক বা প্রকাশকের সঙ্গে যোগাযোগ করে অনুমতি নিতে হয়।

যদি বইটি বাণিজ্যিক না হয় শুধু শিক্ষা বিস্তারে ব্যবহৃত হয় তবে সেটির অনুবাদের অনুমতি গ্রহণের জন্য ন‌্যূনতম তিন বছর অপেক্ষা করতে হবে।

একই সাথে কোনো বিদেশি বই যদি বাংলায় অনুবাদ করা হয় তবে আন্তর্জাতিক কপিরাইটের আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কপিরাইট অফিসের মাধ্যমে স্বত্বের অনুমতি নিতে হবে।

তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রকাশনা সংস্থা এ ধরনের অনুমতির জন‌্য তাদের কাছে যায়নি।

মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন; সুখ দুঃখের ঘর সংসার

ad

পাঠকের মতামত

২ responses to “বিশুদ্ধ পানির শরবত নিয়ে যাওয়া মিজানুরের বাসায় ওয়াসার হুমকি”

  1. Your style is unique in comparison to other folks
    I have read stuff from. Many thanks for posting when you’ve got the
    opportunity, Guess I’ll just bookmark this page.

  2. I constantly spent my half an hour to read this website’s posts all the time along with
    a cup of coffee.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *