105966

রাজধানী ঢাকার দশটি প্রাচীন মসজিদ

আবদুল্লাহ তামিম: মসজিদের শহর ঢাকা। ঢাকাকেই বলা হয় মসজিদের শহর। মূলত মুঘল আমল থেকেই মসজিদের শহরে পরিণত হয় ঢাকা।

নতুন নতুন মসজিদের পাশাপাশি প্রাচীন আমলের অনেক মসজিদ এখনো বিদ্যমান ঢাকা শহরে। রাজধানীর প্রাচীন দশটি মসজিদ নিয়ে আজকের প্রতিবেদন।

বিনত বিবির মসজিদ
পুরনো ঢাকার নারিন্দা এলাকায় অবস্থিত মধ্যযুগীয় মসজিদ। ঢাকার সবচেয়ে পুরাতন মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম এটি। ৮৬১ হিজরি বা ১৪৫৭ খ্রিস্টাব্দে সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহের শাসনামলে মারহামাতের কন্যা মুসাম্মাত বখত বিনত বিবি এই মসজিদটি নির্মাণ করেন।

চক বাজার শাহী মসজিদ
পুরানো ঢাকার চকবাজারে অবস্থিত মুঘল আমলের মসজিদ। মুঘল সুবেদার শায়েস্তা খান এটিকে ১৬৭৬ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ করেন। তিনটি গম্বুজ আর বিশাল মিনার এ মসজিদটির মূল আকর্ষণ।

কর্তালাব খান মসজিদ
পুরনো ঢাকার বেগম বাজারে অবস্থিত এ মসজিদটি বেগম বাজার মসজিদ নামেও পরিচিত। ১৭০১ থেকে ১৭০৪ সালের মধ্যে নির্মিত এই মসজিদটি তৎকালীন দেওয়ান মুর্শিদ কুলি খানের নামে করা হয়। মুর্শিদ কুলি খান কর্তালাব খান নামেও পরিচিত ছিলেন।

তারা মসজিদ
পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত। আঠারো শতকের শুরুর দিকে মির্জা গোলাম পীর নামে এক ধনাঢ্য ব্যক্তি এ মসজিদ নির্মাণ করেন। ‌পরে ১৯২৬ সালে ঢাকার ব্যবসায়ী আলী জান ব্যাপারী মসজিদটির সংস্কার করেন।

মুসা খান মসজিদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল প্রাঙ্গণে মুসা খাঁর মসজিদ নির্মিত হয় আনুমানিক ১৬৭৯ সালে। ধারণা করা হয় যে, মসজিদটি ঈশা খাঁ’র পুত্র মুসা খান নির্মাণ করেন। এ মসজিদ প্রাক-মুঘল স্থাপত্যের একটি নিদর্শন।

হাজী শাহবাজ মসজিদ
ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত প্রাচীন মসজিদ। মুঘল শাসনামলে শাহজাদা আযমের সময়কালে ১৬৭৯ খ্রিস্টাব্দে এ মসজিদটি নির্মিত হয়। হাজী শাহবাজ নামে একজন অভিজাত ধনী ব্যবসায়ী এটি নির্মাণ করেন।

লালবাগ শাহী মসজিদ
ঢাকার লালবাগ কেল্লার পাশে অবস্থিত প্রাচীন মসজিদ। ১৭০৩ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন ঢাকার উপ-শাসক সম্রাট আওরঙ্গজেবের প্রপৌত্র ফর্‌রুখশিয়রের পৃষ্ঠপোষকতায় এটি নির্মিত হয়।

খান মহম্মদ মৃধার মসজিদ
পুরনো ঢাকার লালবাগের আতশখানায় অবস্থিত প্রাচীন মসজিদ। এটি ১৭০৬ খ্রিস্টাব্দে নায়েবে নাযিম ফররুখশিয়ারের শাসনামলে ঢাকার প্রধান কাজী ইবাদুল্লাহ’র আদেশে খান মহম্মদ মৃধা এ মসজিদটি নির্মাণ করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এই মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ করে।

কসাইটুলি মসজিদ
পুরান ঢাকার কসাইটুলির কে পি ঘোষ রোডের এ মসজিদ ‘কাস্বাবটুলি জামে মসজিদ’ নামে পরিচিত। এর আরেক নাম ‘চিনির টুকরা মসজিদ’। হিজরি ১৩৩৮ সনে জনৈক ব্যবসায়ী আবদুল বারি এ মসজিদটি নির্মাণ করেন।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ
পুরান ও নতুন ঢাকার মিলনস্থলে ১৯৫৯ সালে এ মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেন তৎকালীন ব্যবসায়ী আব্দুল লতিফ ইব্রাহিম বাওয়ানি।

পরবর্তীতে ১৯৬০ সালের ২৭ জানুয়ারি এই মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এই মসজিদে একসঙ্গে ৪০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। বায়তুল মোকাররম মসজিদের মূল অবকাঠামো মক্কা শরীফ এর কাবা এর মতো। এটি বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ।

মসজিদে নববীর অদূরে ঐতিহাসিক ৩ মসজিদ

মালয়শিয়া প্রচীনতম সুলতান আব্দুল সামাদ জেমক মসজিদ

ad

পাঠকের মতামত

২ responses to “বিশুদ্ধ পানির শরবত নিয়ে যাওয়া মিজানুরের বাসায় ওয়াসার হুমকি”

  1. Your style is unique in comparison to other folks
    I have read stuff from. Many thanks for posting when you’ve got the
    opportunity, Guess I’ll just bookmark this page.

  2. I constantly spent my half an hour to read this website’s posts all the time along with
    a cup of coffee.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *