45652

দাওয়াত ও তাবলীগের কাজে রবীন্দ্র সরোবরে অনন্ত জলিল

আওয়ার ইসলাম : ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা অনন্ত জলিল। এবার বেরিয়েছেন দাওয়াত ও তাবলীগের কাজে।

জানা যায়, রাজধানীর ধানমণ্ডি রবীন্দ্র সরোবরে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে ভক্তদের সঙ্গে মিলিত হবেন। কিন্তু কেন মিলিত হতে যাচ্ছেন তা চমক হিসেবেই রাখেন এ তারকা।

প্রিয় তারকার এ ঘোষণায় কৌতূহলী হন তার ভক্তগোষ্ঠী। সন্ধ্যা নামতেই জমায়েত হতে থাকেন হাজার হাজার ভক্ত। অনন্ত জলিল আসবেন এ জন্যই তাদের এ জমায়েত। যদিও  কেউ জানতেন না কেন ভক্তদের সঙ্গে দেখা করতে আসছেন এ নায়ক।

অবশেষে আয়োজক কমিটির একজনের কাছ থেকে পাওয়া গেল অনন্ত জলিলের আগমনের তথ্য। ওমরা থেকে এসে ধানমণ্ডির এক মসজিদে ইসলামের বাণী ছড়াতে তাবলিগ জামাতে এসেছেন তিনি। সেখান থেকেই দাওয়াতি এক টিম নিয়েই রবীন্দ্র সরোবরে ধর্মের কথা শোনাতেই আসছেন অনন্ত। ফেসবুকে পোস্টের মাধ্যমে ভক্তদের জানালেও রবীন্দ্র সরোবরে এ কার্যক্রম চালানোর ব্যাপারে কোনো অনুমতি নেননি এ তারকা। তাই আয়োজকরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাঁধার সম্মুখীন হন।

এ ব্যাপারে সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের এসআই মু. মামুন গণমাধ্যমকে জানান, ‘অনন্ত সাহেব ফেসবুকে ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু আমাদের কিছু জানাননি। এখানে যে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান করতে অনুমতি লাগে। নিরাপত্তাজনিত কারণেই তাকে আসতে নিষেধ করেছি আমরা। তবে তিনি যদি এখনও ওসি ও ডিসির অনুমতি নিয়ে আসেন আমরা নিরাপত্তা দিয়ে তাকে অনুষ্ঠান করতে সহায়তা করব।’

অবশেষে অনন্ত জলিলের মিডিয়া ম্যানেজার বাবু পুলিশের সঙ্গে কথা বলিয়ে দেন অনন্তকে। কথা বলার কিছুক্ষণ পরই ডিসির অনুমতি নিয়ে অনন্ত জলিল জুব্বা আর মাথায় পাগড়ি পরে হাজির হন রবীন্দ্র সরোবরে। এসেই জানান, ‘এখানে যে কোনো অনুষ্ঠান করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুমতির প্রয়োজন হয়। বিষয়টি আমাদের মাথায় ছিল না। তবে যেহেতু সবাইকে কথা দিয়েছি তাই কথা রক্ষার্থেই এসেছি আমি। শুধু এতটুকু বলব, ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলামের প্রতিটি নিয়ম কানুনই মানুষের শান্তির জন্য। তাই আসুন আমরা ইসলামের পথে চলি। ইসলামের বিধিবিধানগুলো মেনে চলি।’ কথাগুলো বলেই বিদায় দেন অনন্ত জলিল।

গতকাল বিকালে ফেসবুকে লেখেন, ‘বন্ধুগণ, আমি আজ সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে আসছি ধানমণ্ডি রবীন্দ্র সরোবরে, আপনাদের/তোমাদের সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে আলোচনা করতে। সবার উপস্থিতি একান্তভাবে কাম্য। এখানে উল্লেখ থাকে যে, আমার সঙ্গে আরও কিছু ইমপর্টেন্ট (গুরুত্বপূর্ণ) ব্যক্তিও থাকবেন। যাদের কথা শুনলে আমাদের জীবনে উপকারে আসবে। সুতরাং দেখা হবে সবার সঙ্গে রবীন্দ্র সরোবরে।

তাবলিগের ব্যাপারে চার সিদ্ধান্ত; শীর্ষ আলেমদের বৈঠক

 -এজেড

ad

পাঠকের মতামত

One response to “বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা বঙ্গোপসাগরে ফেলা উচিত: জব্বার”

  1. DarrellLiene says:

    Many thanks for the blog, it is filled with so much useful information. Reading this helped me a lot.
    [url]editessayservice.com[/url]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *